Logo
নোটিশ :
সারাদেশের জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭০৭-৬৫৫৮৯৪    dailyekushershomoy@gmail.com
বরিশালে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে মারধর, অবশেষে মামলা

বরিশালে যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে মারধর, অবশেষে মামলা

রিপন রানাঃ

বাংলাদেশের সর্বস্থানে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত করছেন বর্তমান সরকার। আজ কিছু নাম মাত্র পুরুষ গৃহ বধূকে মারধর করে যাচ্ছে নীরবে কেঁদে বুক ফাটাচ্ছে চার বেড়া নামক একটি ঘরে থাকা গৃহবধূ। কখনো শোনা যায় দুই সন্তানের জননী পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে উধাও হয়ে যায়, কেনো যায়? এটার কেউ কোনোদিন খোঁজ নিয়ে দেখছেন? দেখেননি তাই তো?। আজ আমরা নামে মাত্র পুরুষ, যে অন্যের মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনে দুমুঠো ভাত কাপড় দিয়েই কিছু দিন পরে সন্তান হলেই শুরু হয় যৌতুকের জন্য শারিরীক, ও মানসিক অত্যাচার।
বরিশাল নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া যমুনা বেকারি সংলগ্ন এলাকার মনির গাজীর মেয়ে রেজমিন আক্তারের সাথে ২০০৮ সালে পারিবারিক ভাবে ২৩ নং ওয়ার্ড সাগরদী এলাকার মোস্তফা জোমাদ্দারের ছেলে বেল্লাল জোমাদ্দারের সাথে রেজমিন আক্তারের বিয়ে হয়।

কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য রেজমিনকে শারিলীক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন যৌতুক লোভী স্বামী বেল্লাল। তার পরও ৫ বছরের সন্তান রেজাকে নিয়ে নির্যাতন সইয়ে আসতেছিলেন রেজমিন। কিন্তু বেল্লাল তার পিতা মোস্তফা জোমাদ্দারের কু-পরামর্শে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আসেন তার পরিবারের কাছে।

পরে তাদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে রেজমিন আক্তার তার বাবার বাড়ি থেকে বিভিন্ন সময় ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৩০ হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকা যৌতুক বাবদ এনে দেয়। ৬০ হাজার টাকা দিলেও তাদের হাত থেকে রক্ষা মেলেনি রেজমিনের। পরে ১৪ ই জুন বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মোসাম্মৎ রেজমিন আক্তার (২৮) বাদী হয়ে তার স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২/৬/২০২১ তারিখ শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় বাদীর বসত ঘরে এসে (এক লাখ) টাকা যৌতুকের জন্য হুমকি প্রদান করেন। (১নং) বেল্লাল জোমাদ্দার (৩২) পিতাঃ মোস্তফা জমাদ্দার, (২নং) মোস্তফা জোমাদ্দার (৫৫)। রেজমিন আক্তার বলেন, মামলা করার পর থেকেই তার স্বামী বেল্লাল হোসেন জোমাদ্দার ফোন দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি দিয়ে আসছে।

এবং মামলা তুলে নেয়ার হুমকি প্রদান করে যাচ্ছেন। কান্না জড়িত কন্ঠে রেজমিন আরো বলেন, আমার বাবা মনির গাজী পেশায় একজন রিক্সা চালক। দিন আনে দিন খায়। তার পরও আমার বাবা বেল্লালকে গরু-ছাগল বিক্রি করে মানুষের কাছ থেকে টাকা দার এনে ৬০ হাজার টাকা দেন বাবা-ছেলের নির্যাতনের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করার জন্য।

কিন্তু তারা তাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা নিয়েও আমাকে নির্যাতন করে আসছিলেন। পরে আমি বাধ্য হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করি। আমি ও আমার সন্তানের বাঁচা মরার বিষয়টি আদালতের হাতে ছেড়ে দিলাম। আদালত যে সিদান্ত দিবে তা আমি মেনে নিবো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *