Logo
নোটিশ :
সারাদেশের জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭০৭-৬৫৫৮৯৪    dailyekushershomoy@gmail.com
সংবাদ শিরনাম :
ভোলায় যৌতুকের দাবীতে বিজিপি সদস্য আল আমিনের তান্ডব। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নির্যাতন।

ভোলায় যৌতুকের দাবীতে বিজিপি সদস্য আল আমিনের তান্ডব। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নির্যাতন।

নিজস্ব প্রতিবেদক //

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ থেকে যৌতুক নির্মূল করার প্রচেষ্টায়, তখন কিছু অসাধু ব্যক্তি ও সরকারি ড্রেস পড়া লোক যৌতুকের জন্য ০৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মোসাঃ মহিমা খানম কে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করে আসছেন।

বলছিলাম ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার দেউলিয়া শিবপুর ০৩ ওয়ার্ডের হেলাল উদ্দিন ফরাজী’র ছেলে বিজিপি সদস্য মোঃ আল আমিন এর কথা। যার সিপাহী নাম্বার- ১০০৪১৮, ২৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন।

বিগত ০৩ বছর পূর্বে বগিরচর ০১ নং ওয়ার্ড দেবিরচর লালমোহনের জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারের মেয়ে মহিমা খানম’র সাথে দেউলিয়া শিবপুর ০৩ নং ওয়ার্ডের হেলাল উদ্দিন ফরাজী’র ছেলে মোঃ আল আমিন’র বিবাহ হয়, বিয়ের পর থেকেই মহিমা খানম কে যৌতুকের জন্য বারংবার নির্যাতন করেন আল আমিন, মেয়ের সংসারে সুখের ক্লথা চিন্তা করে জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার ৭,০০,০০০/- ( সাত লক্ষ টাকা)  ধাপে ধাপে দেন।

এবং ০৯ মাস পূর্বেও দিনাজপুর ফুলবাড়ি বিজিপি ক্যাম্পে থাকা অবস্থায় স্ত্রী মহিমা খানম কে ব্যাপকভাবে শারীরিক নির্যাতন করেন ও লাঠি দিয়ে মারধর করেন আল আমিন। এরই সূত্রে জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার বিজিপি ক্যাম্পে অভিযোগ করলে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়ে স্ত্রীকে ঘরে নিয়ে আসে।

এর কিছুদিন না যেতেই মোঃ আল আমিন তার শশুর’র নিকট আরো ২,০০,০০০/- ( দুই লক্ষ টাকা) যৌতুক দাবী করেন, সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন মহিমা খানম’র পিতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার। এবং বিজিপি সদস্য মোঃ আল আমিনকে বুঝানোর জন্য তার বাড়িতে যায়।

মোঃ আল আমিন ২৮/০৪/২০২১ ইং তারিখ সকাল ১০ টার দিকে মোঃ আল আমিন’র বাসায় বসে শশুর, শ্যালক মোঃ তানভীর, শ্যালিকা মুলতা খানম(০৭) কে বেধড়ক মারধর করেন এবং মহিমা খানম বাধা দিতে আসলে তাকেও এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাত্থি এবং হাতের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন বিজিপি সদস্য মোঃ আল আমিন ও তার পরিবারের লোকজন।

এবং বিজিপি সদস্য মোঃ আল আমিন আরো বলেন ২,০০,০০০/- ( দুই লক্ষ টাকা)  না দিলে গর্ভের সন্তান দুনিয়ার আলো দেখবে না, আর আপনার মেয়েও বেঁচে থাকবে না, এসব বলেই আরো কিল, ঘুসি, লাত্থি মারতে থাকেন, এক পর্যায়ে মহিমা খানম’র বাম চোখে এমন ভাবে ঘুসি দেয়, যার ফলে চোখ দিয়ে রক্তপাত হয় এবং তৎক্ষনাৎ ফুলে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোসাঃ মহিমা খানম’র পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার বাদী হয়ে বিজিপি সদস্য মোঃ আল আমিন, মোঃ হেলাল উদ্দিন মাস্টার, মোঃ রাকিব, মোঃ আনছার উল্লাহ মাস্টার, শাহানুর বেগম’র নামে বোরহানউদ্দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ’র সাথে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে, তিনি এই প্রতিবেদককে কোন তথ্য না দিয়েই ফোন কেটে দেন এবং পরবর্তীতে একাধিক বার ফোন করলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *