Logo
নোটিশ :
সারাদেশের জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭০৭-৬৫৫৮৯৪    dailyekushershomoy@gmail.com
সংবাদ শিরনাম :
হিজলায় এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত গণশৌচাগার নির্মাণ না করে অর্থ লোপাটের অভিযোগ।

হিজলায় এলজিএসপি’র বরাদ্দকৃত গণশৌচাগার নির্মাণ না করে অর্থ লোপাটের অভিযোগ।

বিশেষ প্রতিনিধি //

বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার ২নং মেমানিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের জাকির মালের বাড়ির সামনে ২০১৮/২০১৯ অর্থবছরে এলজিএসপির অর্থায়নে বরাদ্দকৃত দের লক্ষ টাকার একটি গণশৌচাগার নির্মাণের প্রকল্প বরাদ্দ হয়।

কিন্তু প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না করেই অর্থ লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে মেমানিয়া ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার ওহাব আলি গোলদারের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উক্ত এলাকায় জেলা পরিষদ এর অর্থায়নে একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে।
তার নেমপ্লেটে যা লেখা রয়েছে তা হুবহু তুলে ধরা হলো।


(প্রকল্পের নামঃ চর দুর্গাপুর এমদাদুল উলুম নূরানী মাদ্রাসা উন্নয়ন। ২নং মেমানিয়া ইউনিয়ন হিজলা।
প্রাক্কলিত মূল্যঃ ২,০০,০০০/ দুই লক্ষ টাকা।
অর্থবছরঃ ২০১৭-২০১৮ ইং।
প্রকল্প সভাপতিঃ ওহাব আলী গোলদার।
বাস্তবায়নেঃ জেলা পরিষদ বরিশাল।)

এই প্রকল্পটির ২০১৭- ২০১৮ অর্থবছরে জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ হয়েছিলো।
যেটি জাকির মালের বাড়ি থেকে ২০০ গজ দূরে অবস্থিত। কিন্তু এলজিএসপি’র অর্থায়নে বরাদ্দকৃত জাকির মালের বাড়ির সামনের গণশৌচাগারটির অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে উক্ত ওয়ার্ড প্রকল্প সভাপতি এবং মেম্বার ওহাব আলি গোলদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন ওখানে ২০০ গজ দূরে যে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে এটি এলজিএসপি’র অর্থায়নে নির্মিত।
এখানে নেমপ্লেটের লেখা রয়েছে জেলা পরিষদের অর্থায়নে যার মূল্য ২ লক্ষ টাকা,কিন্তু এলজিএসপি’র কোন নেমপ্লেট নেই কেন, যেটার বরাদ্দ ছিল দেড় লক্ষ টাকা।


এমন প্রশ্নের উত্তরে ওহাব আলি গোলদার বলেন যে জেলা পরিষদ থেকে কোন গণশৌচাগার বরাদ্দ আসেনি। যেটা নির্মাণ হয়েছে এটাই এলজিএসপি’র অর্থায়নে কিন্তু জেলা পরিষদের নেমপ্লেট ভুলে লাগিয়ে ফেলছে মিস্ত্রি। আর এলজিএসপির নেমপ্লেটে আমার বাসায় রক্ষিত রয়েছে। প্রকল্প হল এলজিএসপির নেমপ্লেট নাগালেন জেলা পরিষদের এমন প্রশ্নের তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এছাড়াও উক্ত এলাকার স্থানীয় এমদাদুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অর্থ লোপাটের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে বলে উক্ত মাদ্রাসার কোষাধ্যক্ষ জাকির মাল প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

এছাড়াও মেম্বার ওহাব আলী গোলদার’র বিরুদ্ধে এর আগে মৃত্যু ব্যক্তির নামের কার্ড দিয়ে চাল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়ার জন্য নাছির চেয়ারম্যান কে একাধিক বার কল করেও পাওয়া যায় নি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *