Logo
নোটিশ :
সারাদেশের জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭০৭-৬৫৫৮৯৪    dailyekushershomoy@gmail.com
সংবাদ শিরনাম :
বাকেরগঞ্জ থেকে বরিশালে ঘুরতে যাওয়ার পথে দপদপিয়া সেতুতে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৩ বন্ধুর! ছন্দে ফিরেছে বরিশালের কাপড় ও টেইলার্স ব্যবসায়ীরা বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেহেন্দিগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন। নজরুল সভাপতি / জিতু সম্পাদক বরিশালে দশম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামি প্রকাশ্যে ঘুরছে এলাকায়। মেহেন্দিগঞ্জের চরগোপালপুর ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার প্রচারণা চট্টগ্রামের গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানী বেড়েছে …………..-যাত্রী কল্যাণ সমিতি চিকিৎসক-কর্মচারীরা জড়াচ্ছেন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ব্যবসায় বরিশালে সেতুর উপরে বাসচাপায় প্রাণ গেল বাকেরগঞ্জের স্কুল শিক্ষার্থী তিন বন্ধুর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯ তম মৃত্য বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা হিজলায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিতঃ
রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের সবক নিতে পাকিস্তানে যান মামুনুল

রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের সবক নিতে পাকিস্তানে যান মামুনুল

অনলাইন ডেস্কঃ
রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা সম্পর্কে সবক নিতে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। দেশটিতে ৪৫ দিন অবস্থান করে সেখানকার একটি সংগঠনের মডেল সম্পর্কে তিনি দীক্ষা নেন। এরপর সংগঠনটির আদলে বাংলাদেশে ইসলামি মতাদর্শের সব দলকে একই প্ল্যাটফরমে এনে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসাবে তিনি সর্বশেষ হেফাজতে ইসলামকে বেছে নেন। মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলায় মামুনুল হককে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
২০১৩ সালের ৫ এপ্রিল রাজধানীর শাপলা চত্বরে তাণ্ডব থেকে শুরু করে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের সহিংসতার নেপথ্যে ছিল সরকার উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নানা কৌশলে বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতেন মামুনুল। রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে আদর্শিক ভিত্তি হিসাবে তিনি পাকিস্তানের একটি সংগঠনকে বেছে নেন। ২০০৫ সালে ভগ্নিপতি মুফতি নেয়ামতউল্লাহর সঙ্গে তিনি পাকিস্তানে যান।
রোববার পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, রিমান্ডে নিয়ে মামুনুল হককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পাশাপাশি তার একটি বিশেষ মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মোবাইল ফোন থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, বিশেষ করে তার রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে জানা যায়- বিভিন্ন দেশ থেকে মামুনুলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আসত। এর মধ্যে কাতার, দুবাই ও পাকিস্তান রয়েছে।
ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাবরি মসজিদের নাম করে টাকা সংগ্রহ করতেন মামুনুল। কারণ মসজিদটির নাম ব্যবহার করলে খুব সহজেই সহানুভূতি পাওয়া যায়। এছাড়া একই কৌশলে ভারতবিদ্বেষী মানুষদের কাছ থেকেও তিনি অর্থ সহায়তা পেতেন। এভাবে তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেছেন। এ টাকা ব্যবহার করে বিভিন্ন মসজিদ ও কওমি মাদ্রাসায় তিনি উগ্র ও জঙ্গিবাদ প্রচার করেন। তিনি বলেন, মামুনুলের আপন ভগ্নিপতি মুফতি নেয়ামতউল্লাহ ১৫-২০ বছর পাকিস্তানের একটি মাদ্রাসায় ছিলেন। সেখান থেকে ফিরে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায় তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর মামুনুলের বোনকে তিনি বিয়ে করেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন ও নেয়ামতউল্লাহ ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর নেয়ামতউল্লাহও গ্রেফতার হন। তবে শ্বশুর আল্লামা আজিজুল হক চারদলীয় জোটের নেতা হওয়ায় নেয়ামতউল্লাহ ছাড়া পেয়ে যান। তাজউদ্দিনের সঙ্গেও মামুনুলের যোগাযোগ আছে।
২০০৫ সালে নেয়ামতউল্লাহর সঙ্গে মামুনুল পাকিস্তানে গিয়ে ৪৫ দিন অবস্থান করেন জানিয়ে ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, নেয়ামতউল্লাহ দীর্ঘদিন পাকিস্তানে থাকার কারণে সংগঠনটির সঙ্গে তার লিয়াজোঁ ছিল। তিনিই মামুনুলকে ওই সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। ওই সংগঠনের মডেলে তিনি বাংলাদেশে মওদুদী, সালাফি, হানাফি, কওমি, দেওবন্দ, জামায়াতসহ সব মতাদর্শের মানুষকে একত্রিত করার চেষ্টা করেন। লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধিতাকারী সংস্থার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ শুরু করেন।
মামুনুলের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের যোগাযোগ আছে জানিয়ে ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, মামুনুলের ভায়রা কামরুল ইসলাম আনসারী জামায়াতের বড় নেতা। তার বাড়ি মাদারীপুরের টেকেরহাটে। আনসারীর মাধ্যমে মামুনুল জামায়াতের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এমনকি তিনি জামায়াতকে তার বলয়ে আনার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, মামুনুল প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে কটূক্তি করেছেন। কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করতেন না। তিনি এমনও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কেউ কটূক্তি করলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তিনি গুম হয়ে যান। কিন্তু কে গুম হয়েছেন জানতে চাইলে মামুনুল তার কোনো উত্তর দিতে পারেননি। মন্ত্রী ও এমপিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার (মামুনুল) দিকে তাকালে চোখ উল্টে ফেলব।’ এগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে মামুনুল বলেন, ‘এগুলো রাজনৈতিক কথাবার্তা।’ আবার শাপলা চত্বরে যাবেন, মন্ত্রীদের চোখ উল্টে ফেলবেন- এই ধরনের কথা হেফাজতের মঞ্চে গিয়ে বলেন কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বলার সময় মুখে চলে আসে।’ বিভিন্ন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি কোনো সুস্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।
মামুনুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা পুলিশ হেফাজতে : মামুনুল হকের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা থেকে তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন ওলিয়ার রহমান। ২১ এপ্রিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তাকে বহিষ্কার করা হয়। আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ওলিয়ার রহমানকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। মামলার তদন্তের স্বার্থে হয়তো তার (ওলিয়ার) সঙ্গে কথা বলবে পুলিশ। শনিবার রাতে আমরা তাকে থানায় নিয়ে আসি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ইমাম গ্রেফতার : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে দুই ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে প

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *