Logo
নোটিশ :
সারাদেশের জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭০৭-৬৫৫৮৯৪    dailyekushershomoy@gmail.com
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করায় হিজলায় ৭জেলে গ্রেপ্তার।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করায় হিজলায় ৭জেলে গ্রেপ্তার।

স্টাফ রিপোর্টার/

বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার নৌ-পুলিশ কোস্টগার্ড এবং মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আটককৃতদের কাছ থেকে ১০হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও বিপুল পরিমাণে মাছ জব্দ করা হয়েছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ধৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধংষ এবং জব্দকৃত মাছগুলো এতিমখানায় বিলিয়ে দেওয়া হয়। আটককৃত সাতজনের ছয়জনকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও একজনকে ২০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শত শত জেলে নদীতে মাছ শিকার করছেন। এ ব্যাপারে হিজলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মুঠোফোন আমাদের বলেন, হিজলার বিশাল নদী এলাকায় আমাদের লোকবল স্বল্পতার কারণে অভিযান পরিচালনা অনেক সময় ব্যাঘাত ঘটে। তারপরও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সরকারি আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকার করতে না পারে। আমাদের কয়েকটি অভিযানিক টিম নিয়মিত নদীতে টহল দিচ্ছে। কিন্তু এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন অভিযান এর আগে যেভাবে জেলেরা মাছ শিকারে ব্যস্ত সময় পার করছে নিষেধাজ্ঞারও তেমনি জেলেরা নদীতে মাছ শিকার করছে। চোখে পড়ার মতো তেমন কোনো প্রশাসনিক অভিযান আমাদের চোখে পড়েনি, দিনের বেলায় জেলেদের উপস্থিতি নদীতে কম থাকলেও রাত যত গভীর হবে জেলে উপস্থিতি ততো নদীতে বাড়তে থাকে, চলতে থাকে মা ইলিশ নিধন যজ্ঞ। এটা হচ্ছে কিছু অসাধু জেলে নেতাদের সিন্ডিকেট চক্রের যোগসাজশে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় ইলিশশুন্য হয়ে পড়বে আমাদের এই নদীগুলো। তাই মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের একাধিক অস্থায়ী ক্যাম্প কিংবা ভাসমান ক্যাম্প যদি মেঘনার বিভিন্ন এলাকা চিহ্নিত করে স্থাপন করা হয় তাহলে হয়তো কিছুটা সম্ভব হবে মা ইলিশ শিকার রোধ করা। অন্যথায় অসাধু জেলেরা সুযোগ বুঝেই নদীতে মাছ শিকারে নেমে পড়েন, মত সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *